বিশ্ববাসির নজরে টাঙ্গাইলের এই মসজিদ



বিশ্ববাসির নজরে টাঙ্গাইলের এই মসজিদ 


পৃথিবীর সব থেকে বেশী গম্বুজ ও দ্বিতীয়তম উচ্চ মিনার বিশিষ্ট মসজিদ বাংলাদেশের টাংগাইলে। এই মসজিদে ৯টি মিনার এবং ২০২টি গম্বুজ দিয়ে সজ্জিত। এখনো মসজিদটি নির্মান কাজ চলছে। এই মসজিদটি আবস্থিত বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপলপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিন পাথালিয়া গ্রামে।



২০১৩ সালের জানুয়ারি এই মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মসজিদটি মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে।এই মসজিদটির কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন।এই মসজিদটি নির্মান করতে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।২০১৭ সালে মসজিটির কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলে ও নির্মান কাজ এখন ও চলেচ্ছে।মসজিদটির কাজ শেষ হলে নির্মাণ শেষ হলে কাবার ইমাম সাহেব এসে নামাজের ইমামতির মাধ্যমে মসজিদটি উদ্বোধন করবেন
  



এই মসজিদ মসজিদ কমপ্লেক্স ১৫ বিঘা জমির ওপর  অবস্থিত। মিহরাবের পাশে লাশ রাখার জন্য হিমাগার তৈরী করা হবে। এছাড়া  আলাদা ভবন নির্মাণ করা হবে এই মসজিদের পাশে ওই ভবনে থাকবে দুঃস্থ নারীদের জন্য বিনা মূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা বৃদ্ধাশ্রম দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা তাদের পরিবারের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা

কখনো এত সংখ্যক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ পৃথিবীর ইতিহাসে তৈরী হয়নি।অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদের ছাদে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি গম্বুজ রয়েছে এই বড় গম্বুজের চারপাশে ছোট ছোট গম্বুজ আছে ২০০টি এদের প্রত্যেকের  উচ্চতা ১৭ ফুট, মূল মসজিদের চার কোণায় রয়েছে ৪টি মিনার এদের প্রত্যেকের উচ্চতা ১০১ ফুটপাশাপশি আরও চারটি মিনার আছে ৮১ ফুট উচ্চতা।এর উচ্চতা ৪৫১ ফুট ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য  ১৪৪ ফুট প্রস্থের দ্বিতল এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে


মসজিদের দেয়ালের টাইলসে অংকিত থাকবে পূর্ণ পবিত্র কোরআন শরিফ। যে কেউ মসজিদের দেয়ালে অংকিত কোরআন শরিফ বসে বা দাঁড়িয়ে  পড়তে পারবেন। ৫০ মন পিতল, মসজিদের প্রধান দরজা নির্মাণে কাজে ব্যবহার করা হবে  আজানের জন্য সব থেকে উচ্চু মিনারে বানানো হবে। মসজিদটি সম্পুর্ন শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ